About: http://data.cimple.eu/claim-review/a90e586672025514e7030b76a0371765bce2f3583d49fedd601a8483     Goto   Sponge   NotDistinct   Permalink

An Entity of Type : schema:ClaimReview, within Data Space : data.cimple.eu associated with source document(s)

AttributesValues
rdf:type
http://data.cimple...lizedReviewRating
schema:url
schema:text
  • সম্প্রতি ‘বিশ্ব শান্তির প্রতীক “নোবেল” পুরুষ্কারের জন্য গণতন্ত্রের মা আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মনোনীত’ শীর্ষক দাবিতে একটি তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে। ফেসবুকে প্রচারিত কিছু পোস্ট দেখুন পোস্ট (আর্কাইভ), পোস্ট (আর্কাইভ), পোস্ট (আর্কাইভ), পোস্ট (আর্কাইভ), পোস্ট (আর্কাইভ)। ফ্যাক্টচেক রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে দেখা যায়, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত তথ্যটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান দুদুর মন্তব্যের বরাতে জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের তথ্যকে বিকৃত করে উক্ত দাবিটি প্রচার করা হচ্ছে। দাবিটির সূত্রপাত দাবিটি সম্পর্কে অনুসন্ধানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত পোস্টগুলোর সূত্রে গত ৩১ আগস্ট জাতীয় দৈনিক যুগান্তরে ‘বাংলাদেশে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে নোবেল পাওয়ার যোগ্য খালেদা জিয়া’ শীর্ষক শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। প্রতিবেদনটি থেকে জানা যায়, গত ৩১ আগস্ট জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরামের উদ্যোগে বিএনপি ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও শহীদ জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বক্তব্য প্রসঙ্গে বলেন, ‘বাংলাদেশে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে যদি কেউ নোবেল পায় সেটা খালেদা জিয়া পাওয়ার যোগ্য।’ এই প্রতিবেদনটি থেকে শামসুজ্জামান দুদুর এই বক্তব্যটি ছাড়া খালেদা জিয়ার নোবেল পাওয়া প্রসঙ্গে অন্য কোনো তথ্য খুঁজে পাওয়া না যাওয়ায় রিউমর স্ক্যানার টিম পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে অধিকতর অনুসন্ধান করে। খালেদা জিয়ার নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ার দাবিটি ভিত্তিহীন অনুসন্ধানে দেখা যায়, নোবেল শান্তি পুরস্কার নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়াটি একটি দীর্ঘ মেয়াদী প্রক্রিয়া। যেটি শুরু হয় মূলত প্রতি বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকে। এই সময় নরওয়ের নোবেল কমিটি অনুমোদিত ব্যক্তিদের কাছ থেকে মনোনয়ন চায়। যা পহেলা ফেব্রুয়ারির আগে নরওয়ের অসলোতে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটিতে পাঠানো হয়। এরপর ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত মনোনয়নের জন্য পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্য থেকে প্রার্থীদের কাজের মূল্যায়ন করে এবং একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করে। তারপর মার্চ থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত তালিকার উপর উপদেষ্টা পর্যায়ে পর্যালোচনা হয় এবং অক্টোবরে এসে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের বেছে নেওয়া হয়। এই মাসের শুরুতে, নোবেল কমিটি সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের মাধ্যমে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীদের নির্বাচন করে। এরপর নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয় এবং বিজয়ীদের হাতে ডিসেম্বরের ১০ তারিখ নরওয়ের অসলোতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। তবে, এ দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় কখনোই নোবেল কর্তৃপক্ষ মনোনীত প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করে না। যেমন, নোবেল পুরস্কারের ওয়েবসাইটে গিয়ে জানা যায়, এ বছর শান্তিতে মোট ৩০৫ জনকে মনোনয়নের জন্যে বাছাই করা হয়েছে। যাদের মধ্যে ২১২ জন ব্যক্তি ও ৯৩ টি সংস্থা রয়েছে। কিন্তু কারো নাম নেই। কারণ, নোবেল ফাউন্ডেশনের বিধি অনুযায়ী মনোনয়ন সম্পর্কিত কোনো তথ্য জনসম্মুখে বা ব্যক্তিগতভাবে ৫০ বছরের আগে কখনো প্রকাশ করা হয় না। এ বিধির আওতায় পুরস্কারের জন্য মনোনীত ব্যক্তি, মনোনয়ন বাছাইকারী ও মনোনয়নকারী, পাশাপাশি এ পুরস্কার সম্পর্কিত তদন্ত এবং মতামত সবই অন্তর্ভুক্ত। এ বিধিতে বলা হয়েছে, নোবেল কমিটি গণমাধ্যম বা প্রার্থীদের কাছে কখনোই তাদের নাম প্রকাশ করে না। প্রদত্ত পুরস্কার কাকে দেওয়া হবে এ নিয়ে আগাম জল্পনা-কল্পনা করা হয়। এটি করা হয় নিছক অনুমান থেকে অথবা মনোনয়নের পিছনে থাকা ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের থেকে পাওয়া তথ্য নিয়ে। নোবেল কমিটি নাম না প্রকাশ করলেও কখনো কখনো সুপারিশকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বরাতে তাদের সুপারিশকৃত ব্যক্তির বিষয়ে সংবাদ হয়ে থাকে। এমন সম্ভাবনা থেকে প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন কি-ওয়ার্ডের মাধ্যমে অনুসন্ধান করেও নির্ভরযোগ্য সূত্রে কোনো তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। এছাড়া অনুসন্ধানে বিএনপির কোনো দায়িত্বশীল নেতার পক্ষ থেকেও দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন এমন কোনো দাবি পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবিরও দাবিটিকে গুজব বলে রিউমর স্ক্যানারকে নিশ্চিত করেছেন। মূলত, গত ৩১ আগস্ট জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বক্তব্য প্রসঙ্গে বলেন, বাংলাদেশে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে যদি কেউ নোবেল পায় সেটা খালেদা জিয়া পাওয়ার যোগ্য। তার এ বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে দেশীয় কতিপয় গণমাধ্যম সংবাদ শিরোনাম করে। পরবর্তীতে এই প্রতিবেদনের সূত্রেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খালেদা জিয়া নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন দাবিতে একটি তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, খালেদা জিয়ার নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পাওয়ার দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র পাওয়া যায়নি। এছাড়া নোবেল কমিটিও পুরস্কারের জন্য মনোনীত কারো নাম প্রকাশ করে না। প্রসঙ্গত, যুগান্তরের উক্ত প্রতিবেদনের সূত্রেই পত্রিকাটিকে উদ্ধৃত করে সম্প্রতি ‘বাংলাদেশে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে নোবেল পাওয়ার যোগ্য খালেদা জিয়া‘ শীর্ষক একটি দাবি প্রচার হলে সেটিকে বিভ্রান্তিকর উল্লেখ করে ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন প্রকাশ করে রিউমর স্ক্যানার টিম। প্রতিবেদনটি পড়ুন এখানেঃ খালেদা জিয়া নোবেল পাওয়ার যোগ্য শীর্ষক মন্তব্যটি যুগান্তরের নয়, বিএনপি নেতার সুতরাং, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ার দাবিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত তথ্যটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। তথ্যসূত্র - Daily Jugantor: বাংলাদেশে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে নোবেল পাওয়ার যোগ্য খালেদা জিয়া - Nobel Prize website: Details about nobel prize
schema:mentions
schema:reviewRating
schema:author
schema:datePublished
schema:inLanguage
  • Bangla
schema:itemReviewed
Faceted Search & Find service v1.16.115 as of Oct 09 2023


Alternative Linked Data Documents: ODE     Content Formats:   [cxml] [csv]     RDF   [text] [turtle] [ld+json] [rdf+json] [rdf+xml]     ODATA   [atom+xml] [odata+json]     Microdata   [microdata+json] [html]    About   
This material is Open Knowledge   W3C Semantic Web Technology [RDF Data] Valid XHTML + RDFa
OpenLink Virtuoso version 07.20.3238 as of Jul 16 2024, on Linux (x86_64-pc-linux-musl), Single-Server Edition (126 GB total memory, 11 GB memory in use)
Data on this page belongs to its respective rights holders.
Virtuoso Faceted Browser Copyright © 2009-2025 OpenLink Software