| schema:text
| - সম্প্রতি, ‘মেয়েটিকে সৎ মায়ের হাত থেকে বাঁচাতে পুলিশ প্রসাশনকে এগিয়ে আসার দাবি জানাচ্ছি।..’ দাবিতে ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওটিতে স্থানের নাম উল্লেখ নেই এবং ক্যাপশন বাংলা হওয়ায় এটি বাংলাদেশের ঘটনা বলে মনে করছেন নেটিজেনরা।
ফেসবুকে প্রচারিত পোস্ট দেখুন: এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ)।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, সৎ মা কর্তৃক শিশুকে নির্যাতনের দৃশ্য দাবিতে প্রচারিত ভিডিওটি বাংলাদেশের নয় বরং, ২০২৪ সালের মে মাসে ভারতের গুজরাটে এক মা কর্তৃক তার শিশু সন্তানকে নির্যাতনের ভিডিও এটি।
অনুসন্ধানে ভারতীয় গণমাধ্যম এবিপি লাইভ এর ওয়েবসাইটে ২০২৪ সালের ১৩ মে “मां ने बेटी को पीट-पीटकर किया बेहाल, सोशल मीडिया पर वायरल हुआ वीडियो” শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। উক্ত প্রতিবেদনে থাকা ভিডিওর সাথে আলোচিত ভিডিওর মিল রয়েছে।
তবে, এবিপি লাইভের প্রতিবেদনে ঘটনাটি স্থান সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি।
পরবর্তীতে অনুসন্ধানে ভারতীয় আরেকটি গণমাধ্যম জি নিউজের ওয়েবসাইটে একই বছরের ১২ মে উক্ত ঘটনাটি নিয়ে “ಮಗಳಿಗೆ ಮನಸೋಇಚ್ಛೆ ಥಳಿಸಿದ ತಾಯಿ, ವಿಡಿಯೋ ಮಾಡಿದ ತಂದೆ!” শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। উক্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাটি ভারতের গুজরাটের।
পাশাপাশি, প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করে গণমাধ্যম কিংবা বিশ্বস্ত সূত্রে আলোচিত ভিডিওটি বাংলাদেশের হওয়ার সপক্ষে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
সুতরাং, ভারতের গুজরাটে ২০২৪ সালের মে মাসে এক নারী কর্তৃক তার শিশু সন্তানকে নির্যাতনের ভিডিওকে বাংলাদেশের ঘটনা দাবিতে প্রচার করা হচ্ছে; যা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
|