| schema:text
| - চলমান ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে “কাতারে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি উ’ড়ি’য়ে দিয়েছে ইরান, ভিডিও প্রকাশ্যে” শিরোনামে একটি ভিডিও প্রচার হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। কতিপয় গণমাধ্যমেও একই ভিডিও প্রচার হতে দেখা যায়।
উক্ত ভিডিওটি গণমাধ্যমে দেখুন কালবেলা (ফেসবুক, ইউটিউব)।
একই ভিডিও দেখুন ফেসবুকে এখানে।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, কাতারে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলার দাবিতে প্রচারিত ভিডিওটি আসল নয়৷ প্রকৃতপক্ষে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া এই ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে গণমাধ্যম কিংবা বিশ্বস্ত সূত্রে আলোচিত দাবির সত্যতা মেলেনি।
পরবর্তীতে প্রচারিত ভিডিওটি পর্যবেক্ষণ করলে ভিডিওর উপাদানগুলোতে অস্বাভাবিকতা পরিলক্ষিত হয়, যা সাধারণত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি কনটেন্টে পরিলক্ষিত হয়। যেমন, পেছনে থাকা মার্কিন পতাকার প্রান্তগুলো বিকৃত এবং এটি স্বাভাবিকভাবে নড়াচড়া করছে না। এছাড়া, বিস্ফোরণের সময় আলো ও ছায়ায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেনি যা বাস্তবের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান লিডস্টোরিজ জানাচ্ছে, বিশেষজ্ঞরা লক্ষ্য করেছেন যে, এত দূরত্ব থেকে ধারণ করা এবং এত বড় বিস্ফোরণের সময় রেকর্ড করা অডিওর তুলনায় শব্দটি অস্বাভাবিকভাবে পরিষ্কার ও ‘ক্রিস্প’। সাধারণত এ ধরনের পরিস্থিতিতে মাইক্রোফোনে ‘ক্লিপিং’ বা উল্লেখযোগ্য বিকৃতি হওয়ার কথা।
প্রচারিত ভিডিওটি এআই প্রযুক্তির সহায়তায় তৈরি কি না তা অধিকতর নিশ্চিত হতে রিউমর স্ক্যানার গুগলের বিশেষ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ‘SynthID’ দিয়ে বিশ্লেষণ করে দেখে, এটি এআই প্রযুক্তির সহায়তায় তৈরি হওয়ার মতো শক্ত প্রমাণ রয়েছে।
এছাড়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তৈরি কনটেন্ট শনাক্তকারী টুল ডিপফেক-ও-মিটার অনুযায়ী, এই ভিডিওটি এআই দিয়ে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৯১ শতাংশ।
সুতরাং, কাতারে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলার দাবিতে প্রচারিত ভিডিওটি এআই-নির্মিত।
তথ্যসূত্র
Rumor Scanner’s Analysis
-
|